দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ফণির অবস্থান থাকলেও আগামী তিনদিন দু’এক জায়গা ছাড়া সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই এবং বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দীন এ তথ্য জানিয়ে বলেন, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানতঃ শুষ্ক থাকতে পারে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এই আবহাওয়াবিদ জানান, দক্ষিণাঞ্চল ছাড়া দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা সামান্য কমেছে।গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও যশোরে সর্বোচ্চ ৩৭.২ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

এদিকে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ আরো উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ রোববার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৭২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৬৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। রবিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন ছয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেদ্রের ৫৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্রবন্দরকে সমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here