আম্পানের আঘাতে যশোরে গাছ চাপা পড়ে এখনো পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যদিও বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে যশোর জেলা প্রশাসন। ওই ছয় ব্যক্তির পরিবারকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ।

সুপার সাইক্লোন ‘আম্পান’ সাগর ছেড়ে স্থলভাগে উঠে আসার পরপরই বুধবার রাতে যশোরে শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া। এরপর সময় যত গড়িয়েছে বাতাসের দাপট ততো বেড়েছে। মধ্যরাত নাগাদ বাতাসের গতি বেড়ে ১৩৫ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যায়। এতে হাজার হাজার গাছপালা ভেঙে পড়েছে। গাছ চাপা পড়ে জেলায় এখনো পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘর বা গাছ চাপা পড়ে আহত হয়েছেন বহু মানুষ।

পুলিশের বিশেষ শাখার হিসেব অনুযায়ী নিহতরা হলেন, মণিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা গ্রামের খোকন দাস (৭০), তার স্ত্রী বিজন দাস (৬০), ওয়াজেদ আলী (৫০), তার ছেলে ইসা (১৫) ও আছিয়া বেগম (৭০), শার্শা উপজেলার গোগা গ্রামের ময়না বেগম, সামটা জামতলার মুক্তার আলী (৬৫), মহিপুড়া গ্রামের মিজানুর রহমান (৬০) ও মালোপাড়ার গোপালচন্দ্র বিশ্বাস, চৌগাছার চাঁদপুর গ্রামের ক্ষ্যান্ত বেগম (৪৫), তার মেয়ে রাবেয়া খাতুন (১৩) এবং বাঘারপাড়ার বোধপুর গ্রামের ডলি বেগম (৪৮)।

মণিরামপুরে মৃত্যুর তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে এখনো নেই। রাতে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক জানান, তার কাছে ৬ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে।

তবে মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন জানিয়েছেন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় তারা দেরিতে খবর পেয়েছেন। পারখাজুরা গ্রামে নিহত ৫ জনের শেষকৃত্যে তিনি ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নিয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here