পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরিবিক্ষণ কমিটির মন্ত্রী মর্যাদায় আহবায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়ার সদস্য ও আওয়ামীলীগ সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সাহান আরা বেগমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের ভাগ্নে ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র ব্যারিষ্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

এ সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্’র ভাগ্নে এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র আপন ফুফাতো ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিাবতা করেন।

এমনকি বিপুল ভোটে বিজয়ীও হন তিনি। এর পেছনে যাদের অবদান সব থেকে বেশি তারা হলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও সেরিননিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা। কেননা তাকে বিজয়ী করতে প্রচার প্রচারনা সবার আগে তারাই ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্’র দিক নির্দেশনায় এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্’র নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর থেকে যে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকায় যান, তারা শেখ তাপসের পক্ষে নৌকা মার্কার প্রচারণায় নামেন।

বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা যারা ঢাকার ভোটার তাদের একত্র করে এবং নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি এবং মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্। এ কারনে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এমনকি ঢাকাস্থ বরিশালের বাসিন্দাদেরও বিশ্বাস তাদের নির্বাচন মেকানিজামের কারনেই বিজয়ের হাসি হেসেছেন তাপস।

শেখ তাপসের ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়ন ভাবনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। বিশ্লেষক মহল মনে করছে, শেখ ফজলে নূর তাপস এর আগে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করলেও সিটি মেয়র পদে এটাই তার প্রথম নির্বাচন। পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এর আগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে শওকত হোসেন হিরনকে নির্বাচিত করতে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকেও নির্বাচিত করতে তার প্রত্যক্ষ এবং পরক্ষ দুই ধরনের ভূমিকাই কাজ করেছে।

এসব কারনে নির্বাচিত হয়েই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও তার পরিবারের কাছে ছুটে গেছেন ফজলে নূর তাপস। এমনকি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েও দোয়া নিতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র কাছে ছুটে যান তিনি। তার আশির্বাদ নিয়ে নেমে পড়েন পড়েন ভোটের যুদ্ধে।

প্রসঙ্গত, সদ্য অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ১ হাজার ১৫০টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে ফজলে নূর তাপস পেয়েছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট। ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন তাপস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here