রবি ফ্রাইলিংক চিটাগং ভাইকিংসের কতটা গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার, সেটি বোঝা গেল ম্যাচের শুরুতেই। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ঢাকা ডায়নামাইটস যে শুরুতেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলল, সেটি ওই ফ্রাইলিংকের বলেই। প্রথমে রনি তালুকদার, এরপর সুনীল নারাইন। চিটাগংয়ে বোলিংটা বেশ হলো শুরুর অনুপ্রেরণাতেই। ঢাকাকে বেশি দূর যেতে দেয়নি তারা। বিপিএল পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ স্থান ধরে রাখার এ লড়াইয়ে চিটাগংকে ১৪০ (৯ উইকেটে ১৩৯) রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে ঢাকা। মুশফিকুর রহিমের দল এই লক্ষ্য ছুঁতে পারবে তো!

ঢাকার ব্যাটিংটা একেবারেই ভালো হয়নি।। সুনীল নারাইন, সাকিব আল হাসান, দক্ষিণ আফ্রিকার হিনো কুন, নুরুল হাসানরা শুরু করলেও শেষ করে যেতে পারেননি। বড় ভরসা আন্দ্রে রাসেল কিছুই করতে পারেননি।

অবশ্য শুরুতেই ওপেনার নারাইন চড়াও হয়েছিলেন চিটাগংয়ের বোলার, বিশেষ করে নাঈম হাসানের ওপর। ৯ বলে ১৮ রান করে তিনি যখন ভয়ংকর হয়ে উঠছেন, ঠিক তখনই তাঁকে ফেরান ফ্রাইলিংক। এরপর হিনো কুনও ১৮ রান করে বোল্ড হন আবু জায়েদের বলে। আফগান ব্যাটসম্যান দারউইশ রাসুলও ফেরেন আবু জায়েদের বলে ক্যামেরন ডেলপোর্টের ক্যাচ হয়ে। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর ঢাকার হাল ধরেছিলেন অধিনায়ক সাকিব। তাঁর সঙ্গী হয়ে ছিলেন নুরুল হাসান।

দুজনের মধ্যে ৪০ রানের এক জুটি গড়ে উঠলেও সেটিকে বেশি দূর টানতে দেননি ডেলপোর্ট। তাঁর এক নিচু হয়ে আসা ফুলটসে ৩৪ বলে ৩৪ করে লং অফে ইয়াসির আলীকে ক্যাচ দেন সাকিব। নুরুলও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২৭ রান করে ডেলপোর্টের বলেই উইকেটের পেছনে মোহাম্মদ শাহজাদের হাতে ধরা পড়েন ঢাকার উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ঢাকার শেষ আশা হয়ে ছিলেন রাসেল। কিন্তু তিনিও ১ রানের বেশি করতে পারেননি। শেষের দিকে শুভাগত হোম ঢাকার সংগ্রহটাকে কিছু ভদ্রাচিত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর ১৬ বলে ২৯ রানের ইনিংসটি না হলে ঢাকার সংগ্রহটা এই অবস্থায় আসে না।

চিটাগংয়ের বোলিংয়ে সেরা ফ্রাইলিংকই। তিনি তাঁর কোটার ৪ ওভার অবশ্য করেননি। ২ ওভার বোলিংয় ১৯ রানের খরচায় ২ উইকেট তাঁর। আবু জায়েদ ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। দলের অন্য বোলারদের মধ্যে খালেদ আহমেদ নিয়েছেন ১ উইকেট। নাঈম হাসান অবশ্য ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here