নিউজ ডেস্ক : এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বয়াতীর হাট গ্রামের খালেক ঘরামীর ছেলে সাহেব আলী ঘরামীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ওই ছাত্রী গত মঙ্গলবার রাতে মঠবাড়িয়া থানায় এ মামলা করেন। ধর্ষণে সহায়তার অপরাধে সাহেব আলীর বড় বোন বিলাসী বেগমকেও আসামি করা হয়েছে। পুলিশ বুধবার বিলাসী বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুরের একটি কলেজের অনার্স পড়ুয়া ওই ছাত্রীর সঙ্গে এক বছর আগে পরিচয় হয় ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কনস্টেবল সাহেব আলীর। এরপর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি সাহেব আলী ছুটিতে মঠবাড়িয়ায় এসে ফুসলিয়ে পৌর শহরে তার বড় বোনের বাসায় নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এরপর ওই ছাত্রী কয়েকদিন ধরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সাহেব আলী এতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ওই ছাত্রী সাহেব আলীর বাড়িতে অবস্থান নিলে অভিযুক্ত কনস্টেবলের পক্ষ নিয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের এসআই হেমায়েত হোসেন খান সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। মঙ্গলবার মেয়েটি ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এসআই হেমায়েত হোসেন খান মুঠোফোনে জানান, পরিস্থিতি ঘোলাটে হতে পারে এমন মনে করে ওই ছাত্রীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল্লাহ বলেন, মামলার এক আসামি বিলাসী বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ওই কলেজছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

তবে আমি একটি মামলার স্বাক্ষী দিতে কিশোরগঞ্জ যাওয়ায় এর আগে কি হয়েছে তা জানি না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here