বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় সাতজন ও উপসর্গ নিয়ে ১১ জন মারা গেছেন।

একই সময়ে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭৪০ জন। সোমবার (২ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১১ জন ও করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে বরিশালে তিনজন, পটুয়াখালীতে দু’জন ও বরগুনার দু’জন রয়েছেন। সব মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৪ জনে।

একই সময় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪০ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৩৬৭ জনে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ৭১১ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন ২৪৫ জন নিয়ে ১৪ হাজার ৬৬০ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১৭৯ জন নিয়ে চার হাজার ৭২৫ জন, ভোলায় নতুন ১৬৫ জন নিয়ে চার হাজার ২২৯ জন, পিরোজপুরে নতুন ৬৩ জন নিয়ে চার হাজার ৫১৭ জন, বরগুনায় নতুন ৪৬ জন নিয়ে তিন হাজার ৭২ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ৪২ জন নিয়ে চার হাজার ১৬৪ জন রয়েছেন।

এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে ১১ জনের ও করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

যা নিয়ে শুধু শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৮০৫ জন ও করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৮০৫ জনের মধ্যে ৪০ জনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি।

ওই হাসপাতালের পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৩৫ জন ও করোনা ওয়ার্ডে ২০ জন ভর্তি হয়েছেন।

করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ৩২৭ জন চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ১২৩ জন করোনা ওয়ার্ডে ও ২০৪ জন আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৯০ জন করোনা পরীক্ষা করান। এর মধ্যে ৪৩ দশমিক ১৫ শতাংশ পজিটিভ শনাক্তের হার।

এদিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে অক্সিজেন সংকট, আইসিইউ সংকট ও চিকিৎসকদের সময়মতো না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here