অনলাইন ডেস্ক : বর্তমান সরকার মাদককে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করলেও সারাদেশের থেকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার প্রেক্ষাপট দেখা যায় অনেকটা ভিন্ন। গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ মাদক নিয়ে একের পর এক জন্ম দিচ্ছে বিতর্ক।

বর্তমান এই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ছরোয়ার। তিনি আগমনের পর থেকেই গৌরনদীতে বেড়ে গেছে মাদকের খুচরা, পাইকারী বেচা-কেনা। পাইকারি বিক্রেতাসহ ছোট-বড় কারবারীরা হয়েছে আরও সক্রিয়।

সম্প্রতি এই মাদক আর মাদক ব্যবসায়ী নিয়ে আরেক নয়া বিতর্কের জন্ম দিয়েছে গৌরনদী থানা পুলিশ। যার প্রমাণ মিলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে।

গত ৫ জুলাই গভীর রাতে গৌরনদী উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের কটকস্থল থেকে ২০ বোতল ফেন্সিডিল ও ৮০ পিচ ইয়াবাসহ গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় মাদক বিক্রেতা মামুন ঘরামী।

সেই আটক হওয়া মামুন ও মাদকসহ পুলিশের একটি ছবি রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ওই ছবিতে গ্রেফতারকৃত মামুনের সামনে ২০ বোতল ফেন্সিডিল ও ৮০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট দেখা যায়।

কিন্তু সকালের আলো ফুটতেই মামুনের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কমে যায় মাদকের পরিমান। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় মামুনের নিকট থেকে ১৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩৯ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

এরপরই মূলত বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গৌরনদী থানা পুলিশের প্রতি নিন্দার ঝড় ওঠে। অনেকেই ফেসবুকে পুলিশ সদস্য সম্বলিত গ্রেফতার হওয়া মামুন ও তার সামনে থাকা মাদক নিয়ে নানামুখি প্রশ্ন তোলে। কেউ কেউ ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন ছবি নাকি কথা বলে তাহলে কোনটা সত্য? মামলার এজাহার নাকি পুলিশসহ ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ছবি ?

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি ওসি গোলাম ছরোয়ার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here