বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীদের আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দিতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি উঠছে। আর এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দও চাচ্ছেন তৃণমূল রাজনীতির সাথে জড়িতদের আগামী উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী করার।

 

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল সদর উপজেলা থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা আইনজীবী মো. মাহাবুবুর রহমান মধু। সদর উপজেলার বড় হাওলাদার বাড়ির, বিশারদ সাহেবেহাটের মৃত মো. মজিবুর রহমান ও আলকাজ বেগম দম্পত্তির সন্তান। বর্তমানে নগরীর পশ্চিম কাউনিয়া বোরহানউদ্দিন হাওলাদার ম্যানশনে বসবাস।

 

মধু বিএম কলেজ থেকে বিএ অনার্স, এমএ, এলএলবি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে আইনজীবী পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন।

 

পরিবার থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন মধু। স্কুল থেকে শুরু করে কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। বিএম কলেজে অনার্স-মাস্টার্স পড়াকালীন ২০০০ সালে বাকসু নির্বাচনে সর্বাধিক ভোট পেয়ে সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন মধু। ওই সময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে দিনরাত কাজ করেছেন। বিএম কলেজে ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে নিজেকেও সম্পৃক্ত রেখেছেন সার্বক্ষণিক।

 

২০০২ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন মধু। এমনকি ওই সময় কারাভোগও করেছিলেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাহিরে থাকাকালীন তৎকালীন সরকার দলের ক্যাডার বাহিনীর হামলা-মামলার শিকার হন তিনি। এরপরও রাজনীতি থেকে দূরে সরেননি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুপ্রানিত মধু হামলা-মামলার মধ্যেও রাজনীতি ছাড়েননি। নিঃস্বার্থভাবে দিনরাত আওয়ামী লীগের রাজনীতি আকড়ে আছেন। এছাড়া ক্ষমতার বাহিরে থাকা থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকাকালীন দলীয় প্রতিটি কর্মসূচীতে মধুর থাকতো সরব উপস্থিতি।

 

এমনকি বরিশাল নগরী থেকে শুরু করে সদর উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রতিটি নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে থাকতো মধুর নিজস্ব বলয়ে গড়ে তোলা প্রচার-প্রচারনা। এভাবে ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নিজেকে পাকাপোক্ত করে তুলেছেন মধু। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত মধু রাজনীতি থেকে জীবনে কিছুই আশা করেননি। আওয়ামী লীগের রাজনীতি তার নেশা। আর দলকে কিছু দিতে পারাই তার জীবনের লক্ষ্য। দল থেকে কিছু না পাওয়া শিক্ষিত মধুকে উপজেলা নির্বাচনে দেখতে চান তৃণমূল কর্মীরা। তাদের চাওয়ার প্রেক্ষিতে মধুও আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আশা পোষন করেছেন।

 

আইনজীবী মো. মাহাবুবুর রহমান মধু বলেন, আমি চাইলেই তো আর মনোনয়ন পাবো না। আওয়ামী লীগ বড় একটি রাজনৈতিক সংগঠন। সেখানে তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপর নির্ভর করবে মনোনয়ন পাওয়া। আমি চাই ত্যাগ-তীতিক্ষার মাপকাঠীতে যেন মনোনয়ন দেয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here