বুধবার চেস্টার লি স্ট্রিটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছে ইংল্যান্ড। জিতেছে ১১৯ রানের ব্যবধানে, নিউজিল্যান্ডকে অপেক্ষায় রেখে পৌঁছে গেছে সেমিফাইনাইলেও। স্বাগতিকদের এ জয়ে প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের পথ।

নিউজিল্যান্ডের এ পরাজয়ের পর ৯ ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ১১ পয়েন্ট, নেট রানরেট +০.১৭৫। অন্যদিকে ৮ ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের ঝুলিতে রয়েছে ৯ পয়েন্ট, নেট রানরেট -০.৭৯২! এখনও যেমন নিশ্চিত হয়নি নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল, তেমনি বাদ পড়ে যায়নি পাকিস্তানও।

শুক্রবার বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচটি খেলবে ১৯৯২ সালের চ্যাম্পিয়নরা। সে ম্যাচে জয় পেলে নিউজিল্যান্ডের সমান ১১ পয়েন্ট হবে পাকিস্তানের। দুই দলের জয়ের সংখ্যাও হবে সমান ৫টি করে। ফলে গণনায় আসবে নেট রানরেট। যেখানে অনেক পিছিয়ে পাকিস্তান।

ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটিতে শুধু জিতলেই হবে না, পূরণ করতে হবে এ বিশাল রান রেটও। তা কীভাবে সম্ভব হবে? বাস্তবিকভাবে অসম্ভব মনে হলেও, কাগজে-কলমে এখনও সম্ভব পাকিস্তানের সে সমীকরণ পূরণ করা।

আর এ সমীকরণ হলো বাংলাদেশকে বিশ্বরেকর্ড গড়ে হারানো। সোজা কথা শুক্রবারের ম্যাচে পাকিস্তান আগে ব্যাট করতে যদি ৩৫০ রান করে, তাহলে তাদের বাংলাদেশকে অলআউট করতে হবে ৩৯ রানে। তারা আগে ব্যাট করে ৪০০ রান করলে টাইগারদের থামাতে হবে ৮৪ রানে। আর যদি বিশ্বকাপের রেকর্ড গড়ে ৪৫০ রান করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান, সেক্ষেত্রে ১২৯ রানে অলআউট করলেও সেমিতে যেতে পারবে ১৯৯২ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

তবে রয়েছে একটি সমস্যা। নিজেদের শেষ ম্যাচটিতে টসের পরপরই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে পারে পাকিস্তান। তা কীভাবে? ম্যাচে যদি বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে তাহলে বলা চলে মাঠে খেলা গড়ানোর আগেই শেষ হয়ে যাবে পাকিস্তানের সেমিতে খেলার স্বপ্ন।

কারণ সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে যত রানই করুক, সে লক্ষ্যকে প্রথম বলেই তাড়া করতে হবে পাকিস্তানকে। অন্যথায় কোনোভাবেই তারা যেতে পারবে না সেমিফাইনালে। ফলে শুক্রবারের ম্যাচের আগে শুধু ব্যাট-বলের অনুশীলন করলেই হবে না পাকিস্তান অধিনায়কের, করতে হবে টস জেতার অনুশীলনও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here