বরিশালের বাকেরগঞ্জের রানীরহাটে পুর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে মা-মেয়েসহ একই পরিবারে তিনজনকে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত বুধবারের এই ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন মামলা গ্রহণ হয়নি। এবং হামলাকারী প্রতিপক্ষদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কোন উদ্যোগ নেয়নি।

 

 

সংশ্লিষ্ট বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের দাবি বিষয়টি সম্পর্কে তাদের কেউ কিছু অবহিত করেনি। এবং হামলার শিকার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- প্রতিবেশি আব্দুল বারেক হাওলাদার ও নুরু হাওলাদারের দুটি পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত বুধবার বারেক হাওলাদারের স্ত্রী ফরিদা বেগম ও মেয়ে কুলসুমের সাথে প্রতিপক্ষ নুরু হাওলাদারের ছেলে সোহাগ ও রাসেলের সাথে বাকবিতন্ড হয়।

 

 

এনিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে একপর্যায়ে সোহাগ, রাসেল ও তাদের অপর ভাই হৃদয় একত্রিত হয়ে হামলা করে। এবং বারেকের স্ত্রী- মেয়েকে লাঠিছোটা দিয়ে মারধর শুরু করলে স্বজন সিদ্দিক হাওলাদার প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে তাকেও পিটুনি দেয়। এতে তারা তিনজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।

 

 

 

এই ঘটনায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বরিশালটাইমসকে জানান, বারেক হাওলাদারের স্ত্রী ফরিদা বেগম।

 

 

হামলাকারী এই পবিারের তিন সদস্য রাসেল, সোহাগ ও হৃদয় এলাকায় নানাবিধ অপকর্মের সাথে জড়িত। স্থানীয় আরও বেশ কয়েকটি পরিবার বিগত সময়ে তাদের হামলার শিকার হয়েছে। কিন্তু ভয়ভীতির কারণে তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি।

 

 

বাকেগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বিডি ক্রাইমকে বলেন- এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here