অনলাইন ডেস্ক :: মৌমাছির কামড়ে অসুস্থ ব্যক্তিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন । মৌমাছির কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়া নারী, শিশুসহ ছয়জনকে পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার গড়িনাবাড়ি ইউনিয়নের টাঙ্গন সেতু এলাকায় পঞ্চগড়-আটোয়ারী সড়কে মৌমাছি তাঁদের কামড়ায়। তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মৌমাছি কামড়ে অসুস্থ ব্যক্তিরা জানান, দুপুরে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশায় নারী, শিশুসহ চারজন পঞ্চগড় শহর থেকে আটোয়ারীর দিকে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি টাঙ্গন সেতু এলাকায় পৌঁছালে আকস্মিকভাবে একঝাঁক মৌমাছি তাঁদের কামড়াতে থাকে। এ সময় অটোরিকশার চালকের চিৎকার ও ছোটাছুটিতে স্থানীয় ব্যক্তিরা এসে আগুন জ্বালিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যান।

মৌমাছির কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিরা হলেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার দরদরিয়া পাড়া এলাকার সৌরভ (২৮), ধাক্কামারা এলাকার মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী মেহেরুন (৩৫), তাঁর ছেলে আলিফ (৩), ঝলই এলাকার দসিরের ছেলে দবিরুল ইসলাম (৩০), আটোয়ারী উপজেলার ছোটদাপ এলাকার হামিদুল ইসলামের ছেলে লাজু (১৮) ও হোসেন আলীর ছেলে রকি (২০)। তাঁরা সবাই পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মৌমাছির আক্রমণের শিকার অটোরিকশার চালক দবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি অটোরিকশা নিয়ে ফুটকিবাড়ি এলাকার দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় হঠাৎ একঝাঁক মৌমাছি আমাকে জড়িয়ে কামড়াতে শুরু করে। আমার পেছনে থাকা অটোরিকশায় আরও কয়েকজন ছিলেন, তাঁদেরও কামড়াতে শুরু করে। এ সময় আমরা কোথাও লুকানোর জায়গা পাচ্ছিলাম না। পরে আমাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন আগুন ধরিয়ে ধোঁয়া দিতে থাকে। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসে।’

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা নিরঞ্জন সরকার বলেন, ‘মৌমাছির আক্রমণের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করেছে। পরে আমরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসি।’

পঞ্চগড় সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মনোয়ার হোসেন বলেন, বেলা সোয়া একটার দিকে মৌমাছি কামড়ানো ছয়জন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাঁরা চিকিৎসাধীন। তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here