পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীর সেবা প্রাইভেট ক্লিনিকের ডিপ্লোমা ডাক্তারের ভুল সিদ্ধান্তে নবজাতকের মৃত্যুর হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্বজনদের অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে অত্র ক্লিনিকেই ফাতিমা পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু জন্মের পর থেকেই কাপানিসহ নানান সমস্যায় ভুগছিল নবজাতকটি।

বিষয়টি শুক্রবার ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কর্তব্যরত ডাক্তার বিনয় সর্বদাই নবজাকটিকে সুস্থ বলে দাবী করেন। গায়ের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করায় রোদে রাখার ও নাকে একটি ড্রপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এক পর্যায়ে বিকাল ৪টায় শিশুটিকে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানোর পরামর্শ দেয়া হয়।

এসময় ওই ক্লিনিকেই শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ জে.সি মিস্ত্রির নিকট জরুরী ভিত্তিতে তার সাক্ষাতের জন্য গেলেও দেখানো হয় ৯১ জনের লম্বা সিরিয়াল। অবশেষে রাত ৮ টায় জে.সি মিস্ত্রি শিশুটিকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার্ড করেন। কিন্তু শুক্রবার ওই সময়ে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেও আসলাম ও তার স্বজনরা শিশুটিকে শেবাচিমে নিলেও কয়েক মিনিটের মধ্যে নবজাতকটি মারা যায়।

এঘটনায় শনিবার সকালে মৃত নবজাতবের পিতা উপজেলার পশ্চিম সোহাগদল গ্রামের আসলাম ও তার স্বজনরা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের মুখোমুখি হয়। ক্লিনিকের মালিক পক্ষের লোক রফিকুল ইসলাম, পরিচালক অসীম ও ডিপ্লোমা ডাক্তার তাদের দ্বায় এড়িয়ে যায় এবং জানাযা করিয়ে দাফন কার্য সম্পন্ন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানান।

কিন্তু শিশু সন্তানের মৃত্যুর খবর জানেন না মা ফাতেমা।

মৃতের স্বজনরা জানায়, এই মূহুর্তে ফাতেমাকে তার সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ জানানো হলে সে দূর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তাই নিজ প্রথম সন্তানকে শেষ দেখা না দেখেই সন্তানের প্রতিক্ষায় অত্র ক্লিনিকেই প্রহর গুনছেন মা ফাতেমা।

এবিষয়ে কর্তব্যরত ডাক্তার বিনয় বলেন, শিশু রোগের উপর চিকিৎসা করার এখতিয়ার আমার নেই।

ক্লিনিক পরিচালক অসীম জানান, আমরা কর্তব্যরত ডাক্তারের উপর ভিত্তি করে আমরা নবজাতককে সুস্থ্য দাবি করি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here